হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় কাজে লাগবে এই ৫ নিরাপত্তাসুবিধা
প্রতিদিন ব্যক্তিগত কথোপকথন, ছবি, ভিডিও, ফোন নম্বরসহ নানা ধরনের তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহার করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ। এসব তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখতে অ্যাপটিতে বেশ কিছু নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি সুবিধা রয়েছে। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ব্যক্তিগত চ্যাট ও তথ্য অন্যের অনাকাঙ্ক্ষিত নজর থেকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
১. ব্যক্তিগত চ্যাট লক
হোয়াটসঅ্যাপের ‘চ্যাট লক’ সুবিধার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে করা ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল কথোপকথন আলাদাভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়। লক করা চ্যাট সাধারণ চ্যাট তালিকায় সহজে দেখা যায় না এবং ডিভাইসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করে সেটি খোলা যায়।
২. প্রোফাইল ছবি কারা দেখবে তা নিয়ন্ত্রণ
হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহারকারীরা চাইলে নিজেদের প্রোফাইল ছবি সবার কাছ থেকে আড়াল রাখতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস থেকে নির্ধারণ করা যায় কারা প্রোফাইল ছবি দেখতে পারবেন। ফলে অপরিচিত ব্যক্তিদের কাছে ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ না করার সুযোগ থাকে।
৩. ফেস আইডি বা আঙুলের ছাপ দিয়ে অ্যাপ সুরক্ষিত রাখা
শুধু নির্দিষ্ট চ্যাট নয়, পুরো হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপও বায়োমেট্রিক নিরাপত্তার মাধ্যমে সুরক্ষিত করা যায়। ফোনভেদে ফেস আইডি, টাচ আইডি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে অ্যাপ খুলতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করা সম্ভব।
৪. ‘ভিউ ওয়ানস’ ব্যবহার করে ছবি-ভিডিও পাঠানো
কোনো ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পাঠানোর সময় ‘View Once’ সুবিধা ব্যবহার করা যায়। এভাবে পাঠানো ছবি বা ভিডিও প্রাপক একবার দেখার পর আর স্বাভাবিকভাবে পুনরায় দেখতে পারেন না। ব্যক্তিগত মিডিয়া শেয়ারের ক্ষেত্রে এই সুবিধা অতিরিক্ত গোপনীয়তা দিতে পারে।
৫. স্ট্যাটাস কে দেখবে তা নির্ধারণ
হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস সবার সঙ্গে শেয়ার না করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখা যায়। প্রাইভেসি সেটিংস থেকে ব্যবহারকারী ঠিক করতে পারেন কারা তাঁর স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপের এসব সুবিধা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য ও কথোপকথনের ওপর ব্যবহারকারীরা আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন। তবে নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির সন্দেহজনক বার্তা বা লিংকে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজন হলে অ্যাকাউন্ট ব্লক বা রিপোর্ট করাও গুরুত্বপূর্ণ।
